Ad Code

Responsive Advertisement

একজন উদ্যোক্তা সফল হতে যা লাগে

একজন উদ্যোক্তা সফল হতে যা লাগে

প্রথম জানতে হবে উদ্যোক্তা কে? যিনি কোন সৎ কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করে তা কার্যে সুফল পায় তিনি উদ্যোক্তা। প্রত্যেক উদ্যোক্তার একটিই লক্ষ্য ব্যবসার উপার্জন বৃদ্ধি অর্থাৎ মুনাফা অর্জন। কেউ সাথে সাথে, কেউ একটু সময় নিয়ে আবার কেউ ব্রেক ইভেন্ট পয়েন্টে আটকে থাকে, কেউ ঝড়ে পড়ে তার কাজ থাকে। এর ভিত্তিতে আমরা বলি কেউ প্রতিষ্ঠিত, কেউ চলন সই, কেউ ব্যর্থ। একজন উদ্যোক্তা সফল হওয়া কঠিন বা অশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। প্রত্যেক উদ্যোক্তার তার নিজস্ব কিছু জ্ঞান, ধ্যান ও ধারণার কিছু সু-নির্দিষ্ট অভ্যাসের ছাঁচে নিজেকে তৈরি করে নেন যাকে আমরা অভিজ্ঞতা বলে ভাবি। আবার অনেক অনভিজ্ঞ ব্যক্তিও সুন্দরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে। ব্যর্থতার বেড়া জাল থেকে মুক্তির উপায় খুঁজার জন্য আমার এই লিখা, একজন উদ্যোক্তা সফল হতে যা লাগে।



১) ঝুঁকি নিতে ভয় না পাওয়া: ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে, “No Risk, No Gain.” ধীর মনে ব্যবসা করলে ব্যবসার সফলতা আপনাকে ধরা দিবেই আর ভয় এবং হবে কি হবে না এমন চিন্তা মনে থাকলে ব্যবসা না হওয়ায় স্বাভাবিক। কথায় আছে “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর।” সুযোগ খুঁজতে থাকলে ব্যবসা হবেই এবং একের পর এক ব্যবসা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা মনে থাকতে হবে। যেমন বাংলাদেশের একজন সমান ধন্য ব্যবসায়ী আজাদ প্রোডাক্টস এর মালিক প্রথম ব্যবসা শুরু করেন ঢাকা নিউমার্কেটের একটি দোকানের সামনে কার্ডের ব্যবসা। সেখান থেকে আয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকক থেকে কার্ড ও পোস্টার এনে মুনাফা বাড়ানোর সাথে নিজের ব্যবসা বৃদ্ধি করার জন্য বাংলাদেশে প্রোডাক্ট ব্যবসা শুরু করে প্রতিষ্ঠিত হন। যার উদাহারণ দেয়ার জন্য উনাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-তে ক্লাস দেয়া হয়েছিল উনি কিভাবে ব্যবসায় উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ হয়েছেন তা ছাত্র-ছাত্রীকে বুঝানোর জন্য। উনি যদি সাহস করে ব্যবসা না করতেন তাহলে উদাহারণ সৃষ্টি হতো না। এমন অনেক ব্যবসায়ী বাংলাদেশে আছে যারা স্বল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করে অনেক টাকার মালিক হয়েছেন। আয়ের গতি বাড়াতে হলে অবশ্যই ব্যবসার গতি বাড়াতে হবে। অনেক উদ্যোক্তার ব্যবসার গতি কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে অস্থিতিশীল মনোভাব। যদি ক্ষতি হয় তাহলেতো সব শেষ। ক্ষতির কথা চিন্তা না করে প্রতি সময় মুনাফার কথা মাথায় রেখে নতুন নতুন পণ্য বাজারে আনার চিন্তা ও চেতনা আপনার ব্যবসা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে। সেই হিসেবে আপনি উদাহরণ হিসেবে ধরে নিতে পারেন পিএইপি যারা বর্তমানে গাড়ি প্রোডাক্ট করছে। ওয়ালটন বিভিন্ন পণ্য বাজারে ছেয়ে রেখে বিশ্ব বাজার দখল করার চিন্তা করছে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস ব্যবসার প্রসারও একটি প্রজ্জ্বলন্ত উদাহারণ। তাই বলবো, “ভয়কে করো জয়।”

২) স্থান নির্বাচন, চাহিদা, রুচি ও আয়: আমি যখন ক্লাসে পড়ায় তখন উদারণ হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীকে বলি নিউমার্কেট থেকে পরিপূর্ণ ডেকোরেট করা একটা স্বর্ণের দোকান মফস্বলে দেয় এবং মফস্বল থেকে একটি মুদি দোকান নিউমার্কেটে নিয়ে বসায় তাহলে দু’জনের ব্যবসায় ক্ষতি হবে ১০০%। যে এলাকায় ব্যবসা করবেন সেই এলাকার ক্রেতার চাহিদা, রুচি, আয়ের অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা মাথায় এনে ব্যবসায় নতুন নতুন কৌশল প্রয়োগ করে ব্যবসাকে ধারাবাহিক উন্নয়নের আওতায় নিয়ে ব্যবসা প্রসারের পাশাপাশি আয়ও বাড়াতে হবে। স্থান নির্বাচন, চাহিদা, রুচি ও আয় সম্পর্ক তথ্য সংগ্রহ করা উদ্যোগ সাফল্যের বড় একটি দিক।

৩) প্রশিক্ষণ: দক্ষতা অর্জনের নেশা থাকতে হবে, কিছু শেখার নেশায় আপনাকে সফল করবে। ভালোভাবে কাজ শিখে তার যোগ্য হয়ে যে কোন কাজে হাত দিলে তার সফলতা হাতছানি দিবেই। ব্যবসার আয় বাড়াতে হলে ব্যবসার ক্ষেত্রে এমন কিছু আনতে হবে যা আপনার আগে কেউ আনতে পারেনি। তা এমনি আসবে না, তার জন্য আপনাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে এবং করতে হবে প্রচুর পড়াশোনা। প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন সঠিক পথ নির্ধারণের জন্য, বই পড়বেন জ্ঞানের জন্য এবং টিম গঠণ করবেন পরিকল্পনা মোতাবেক আগানো ও আয়ের অবস্থান সুধীর করার জন্য। পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নয় কাজে লিপ্ত থেকে ব্যবসা শিখতে হবে। সহযোগীতা মূলক আচরণ ও কাজের স্বীকৃতি দু’টিই ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ দিক। নতুন প্রযুক্তি ও ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা নিয়ে মানুষ কি চাচ্ছে সেদিকে নজর দিতে হবে এবং সেই মোতাবেক পণ্য ও সেবার মান উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বাজার জরিপ অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে পণ্যের সঠিক চাহিদা নিরূপণ ব্যবসায়ে সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। তাছাড়া পণ্যের বাজারের পরিধি এবং বাজারজাতকরণের কৌশল পূর্বেই যথার্থভাবে নিরূপণ করতে হবে। অভিজ্ঞতা শিক্ষা উদ্যোক্তার ব্যবসা সম্পর্কে পূর্ব-অভিজ্ঞতা এবং ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবসায় সফল হতে সাহায্য করে অসম্ভব! “না, আমি পারবো না বা আমার দ্বারা সম্ভব নয়“ এ কথাগুলো ভুলেও মাথায় আনা যাবে না। অনেকেই পারে, আপনি পারবেন না তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রবাদ বলে, “কেউ মায়ের পেট থেকে শিখে আসে না।” যে কোন কিছু অর্জনের জন্য কারো উপর আস্থা বা বিশ্বাস না রেখে নিজের উপর অগাধ আস্থা বা বিশ্বাস রেখে ব্যর্থতার শিকড় উপরে ফেলতে হবে। কারো প্রতি কোন অভিযোগ বা অনুযোগ নয় নিজের দূর্বল দিকগুলো আবিষ্কার করে সচেতন হয়ে নিজেকে উপযুক্ত করে নেতৃত্বের গুণাবলীগুলো করায়ত্ত করে চেষ্টা, পরিশ্রম, সাধনার মাধ্যমেই অর্জন করতে হবে এবং লেগে থাকলে অবশ্যই যে কোন বিষয়ে সফলতা আসবেই। সফলতার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বরং আপনার কাজই আপনাকে সফলতার কাছে নিয়ে যাবে।

৪) ব্যবসায় নতুনত্ব: সনাতনী ব্যবসা পদ্ধতির প্রচলিত ধ্যান ধারণার পরিবর্তন করে ব্যবসায় নতুনত্ব কিছু সৃজনশীল ও গঠণমূলক এনে আপনার চিন্তা ও চেতনার মাধ্যমে ব্যবসাকে অবশ্যই আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পরিচালনা করতে হবে। একদিন বিকালে রাস্তায় হাটতে বের হয়েছি। একটা মোটর সাইকেল এসে আমার সামনে দাড়ালো, ইংরেজী ইউ আকৃতি একটা এক স্বচ্ছ কাচের গ্লাসের মত প্লাস্টিকের কভার বানিয়ে পা থেকে মাথা অবদি বসানো দেখলাম। পিছনের দিক খোলা, বাম পাশে খোপ কাটা। দেখে মনে হচ্ছে দুই চাকা বিশিষ্ট প্রাইভেট কার। সেই মোটর সাইকেলটি ভাড়ায় চালিত। মোটর সাইকেল দেখে বুঝলাম উনি এবং প্যাসেঞ্জার রোদে পুড়বে না এবং বৃষ্টিতে ভিজবে না। আমি মনে মনে বললাম বুদ্ধির সঠিক ব্যবহার। ঠিক আপনার ব্যবসাটাও তেমন করে পরিচালনা করবেন যাতে সবাই এক বাক্যে বলে ইউনিক আইডিয়া। ব্যাপারটা এমন নয় যে সম্পূর্ণ নতুন আইডিয়া মাথায় নিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করতে হবে। প্রচলিত ব্যবসায় নতুন নতুন আইডিয়া যোগ করে তা মানুষের চোখে ইউনিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। জি-বাংলার কড়ি খেলা একটা সিরিয়ালে দেখলাম ঘরের বারান্দা সাজিয়ে গুছিয়ে বিভিন্ন রকম ডিজাইন করে বারান্দা ক্যাফে নাম দিয়ে একটা কফি হাউস বানিয়ে ব্যবসা শুরু করলো। আপনিও তেমন হওয়ার চেষ্টা করেন।

৫) সততার সাথে ব্যবসা: বৈধ উপায়ে রুজির প্রচেষ্টা ইবাদত। ব্যবসায় সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, বিশ্বস্ততা, আমানতদারি ইত্যাদির উপস্থিতি অতিব জরুরি।  মিথ্যা, অন্যায়, জুলুম, ধোঁকাবাজি, প্রতারণা, মুনাফাখোরী, কালোবাজারি, মজুদদারি ইত্যাদির আশ্রয় নিয়ে অবৈধ উপায়ে সম্পদ উপার্জন করে সাময়িকভাবে লাভবান হওয়া গেলেও এর শেষ পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। তাই ব্যবসার ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করলে ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সব সময় ক্রেতা সন্তুষ্টির কথাও মাথায় রাখতে হবে। ব্যবসার গুণগত মান, সঠিক ওজন নির্ধারণ ইত্যাদি মাধ্যমে আপনার সেবায় ক্রেতায় সন্তুষ্টি। সততার মূল্য সব জায়গায় আছে। অসৎ উপায় অবলম্বন করলে ক্রেতা আপনার কাছে একবার আসবে বারবার নয়। যেহেতু আপনার ব্যবসা ক্রেতা আপনার কাছে বারবার আসতে হবে সেহেতু ব্যবসা পরিচলানা করতে হবে সততার সাথে। উপস্থাপন এমন ভাবে করতে হবে যার সেবায় ক্রেতা ছুটে আসবে সাথে অন্য ক্রেতা নিয়ে। এলএমএম পদ্ধতির কথা চিন্তা করেন, তারা দু’হাতের কথা চিন্তা করে। ডান হাত বাম হাত অর্থাৎ একজন ক্রেতা দু’জন ক্রেতা আনবে। তবে মনে রাখবেন মানুষের মুখেই জয় আর মানুষের মুখেই ক্ষয়। সততার যেকোন ব্যবসায় সুফল ধীরে পাবেন তবে স্থায়ীত্ব দীর্ঘদিন। মহান রাব্বুল আলামিন কুরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, ‘আমি ব্যবসায়কে হালাল করেছি এবং সুদকে হারাম ঘোষণা করেছি’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ২৭৫)। ব্যবসায় ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। দ্রব্যের কোনো দোষ-ত্রুটি থাকলে ক্রেতার সম্মুখে তা প্রকাশ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হবে ।

৬) সময় সচেতনতা: প্রবাদ আছে, ”সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।” আবার বাংলাদেশে আরো একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে, “নয়টার গাড়ি কয়টায় ছাড়ে।” একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে কোন ক্ষেত্রেই সময়ের যতটা মূল্য অন্য কিছুর ক্ষেত্রে তা নেই। আবার ওটাও মাথা থাকতে হবে, “সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য বেশী।” এই দু’টি কথায় ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক মূল্যবান। সময় মত সেবা বা পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে ক্রেতারা অবশ্যই যেখানে সময়মত সেবা পাবে সেখানেই খুঁজবে। আপনাকে মনে রাখতে হবে ক্রেতার সন্তুষ্টি আপনার ব্যবসার উন্নতি।

৭) ধৈর্য ধরে পরিশ্রম: ”পরিশ্রমে ধন আনে পূণ্যে আনে সুখ, আলস্যতা দারিদ্র আনে পাপে আনে দুঃখ।” আপনার ধৈর্য ও পরিশ্রম সফলতা বের করে নিয়ে আসবে। কোন জিনিস একদিনে অর্জন হয়, অনেক ত্যাগ স্বীকার করে অর্জন করতে হয়। মনে করেন পাবলিক পরীক্ষাগুলো রেজাল্টের জন্য কমপক্ষে তিনমাস অপেক্ষা করতে হয়। যে কোন বিষয় নিয়ে ক্রমান্বয়ে দিনের পর দিন অনেক গবেষণা এবং ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করলে সেটাতে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

৮) সেবার মান, ভোক্তা বা ক্রেতার সু-সম্পর্ক:- ক্রেতা হচ্ছে ব্যবসার প্রাণ। ক্রেতার সন্তুষ্টি ব্যবসা ব্যবসায়ী সমৃদ্ধির। যে কোন পণ্যের বিক্রয় বাড়াতে পারে একজন ক্রেতা। একজন ক্রেতাকে সন্তুষ্ট রাখতে সর্বোচ্চ গুণগত মানের পণ্য ও বাস্তবসম্মত মূল্যে প্রদানের পাশাপাশি ক্রেতাকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা। ব্যবসায়ের সফলতা অর্জনের অন্যতম মাধ্যমই হচ্ছে ভোক্তা বা ক্রেতার সাথে সু-সম্পর্ক কারণ ক্রেতা ছাড়া কোন ব্যবসায় কল্পনা অসম্ভব। পণ্যের গুণগত মান উন্নত করে ক্রেতাকে বিভিন্ন প্রকার সুবিধা প্রদান করে ব্যবসার সূচনা হলে সেখানে ক্রেতা পণ্য কিনতে আগ্রহী হবে। একজন ক্রেতা থেকে দুজন, দু থেকে চার এভাবে জ্যামেতিক হারে ক্রেতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা আছে। মনে রাখতে হবে একজন ক্রেতা শুধু গ্রাহক নয়, বহু ক্রেতার সমাহার। ক্রেতার সাথে যোগাযোগ রক্ষার জন্য মোবাইল নাম্বার, ই-মেইল এড্রেস সংরক্ষণ করে একটি তালিকা প্রস্তুত করে রাখা যায় যাতে করে ক্রেতার পছন্দ, রুচি, আচরণ ও যাবতীয় তথ্য নেয়া যায় এবং সেই মোতাবেক পণ্য সরবরাহ করা যায় বা সেবা প্রদান করা যায়। ক্রেতাকে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে ক্রেতার কাছ থেকে জানতে হবে তাদের মতামত, তাদেরকে সন্তুষ্টের জন্য বলতে হবে আমার ব্যবসার উন্নতির জন্য আপনার সু-চিন্তিত মতামত, কিভাবে আমার ব্যবসা ব্যবসায়িক ভাবে আরো প্রসারিত করা যায়, পণ্যের গুণগত মান আরো বৃদ্ধি করতে হবে কিনা ইত্যাদি। তাতে ক্রেতার সাথে আপনার যোগাযোগও থাকলো, সম্পর্কের উন্নতি হলো। এই সম্পর্কের উন্নতি আপনার ব্যবসার পরিধি বিস্তৃতির উন্নতি বলে ধরে নিতে পারেন।

সফল উদ্যোক্তগণ বিরাজমান অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধাগুলো চিহ্নিত করে তা ব্যবসায়িক উদ্দ্যেশ্যে ব্যবহার করে। একজন উদ্যোক্তাকে তখনই পরিপূর্ণ সফল বলা যায় যখন তার ব্যবসা উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ব্যবসায় মুনাফা আসছে। ব্যবসাকে দীর্ঘ মেয়াদী টিকিয়ে রাখার জন্যে এবং ধারাবাহিকভাবে আয়ের হার বৃদ্ধি হলেই ব্যবসার সফলতা এবং ব্যবসায়ী হিসেবে আপনি সফল। অভিষ্ট লক্ষে পৌছানোর জন্য পরিকল্পনা মোতাবেক যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি বিচক্ষণতার সাথে নিরূপণ করেনবিচার বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেন। প্রচলিত প্রযুক্তির সাথে নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় করে উদ্যোক্তার উদ্ভাবনী ধারণা প্রয়োগ করে উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে নতুন উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করে।

Reactions

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ