সহযোগীতার মনোভাব
“পড়া লিখা ভীতির নয়, আনন্দের”- এই কথাটা স্টুডেন্ট কে বুঝিয়ে দিতে পারলে আপনি শিক্ষক হিসেবে সফল।
আর্থিক দৈন্যতাও শিক্ষা জীবন অবসানের একটা বড় ব্যাপার, সে ব্যাপারে একজন শিক্ষকের নিস্বার্থ সহযোগীতা ছাত্র-ছাত্রী’র সফলতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তারচেয়েও বহুগুণ বৃদ্ধি পায় শিক্ষকের প্রতি ছাত্র-ছাত্রী’র শ্রদ্ধা ও সম্মান। এর চেয়ে বড় আত্মতৃপ্তি কিছুই হতে পারে না, সাধারণত যা আপনি কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও কিনতে পারবেন না।
ওদেরকে শাসন করতে হবে, শুধু শাসন করলে হবে না মা’য়ের স্নেহে আদর করতে হবে, আবার বন্ধুরমত তার কাছেও থাকতে হবে। সাধারণত টিন এইজ-এ ছাত্র-ছাত্রী ভুল করে বেশী, তার ভুলগুলো শুধরে দিতে হলে তার সাথে বন্ধুর মত আচরণ না করলে সে ভয়ে দূরে থাকবে তাই তার সমাধান করাও সম্ভব হবে না। এতে করে শিক্ষকের সম্মান একটুও কমবে না বরং বাড়ে। তাই একজন শিক্ষক শিক্ষকতো আছেন, কখনো বাবা, কখনো মা এবং কখনো বন্ধু হতে হবে।
শিক্ষকের আরো অনেক এমন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সাহযোগীতা ছাত্র-ছাত্রী’র মনে আনন্দ যোগায় যা একজন সাধারণ মানুষ কল্পনাও করতে পারে না।
0 মন্তব্যসমূহ