দ্বীন সম্বন্ধে ৪০ টি হাদীস
রাসূলুল্লাহ
( সাল্লাল্ল-হু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য দ্বীন সম্বন্ধে
৪০ টি হাদীস হিফজ করবে ও অপরের কাছে তা পৌছে দিবে, আল্লাহ তাআ’লা তাকে কিয়ামতের দিন
ফকীহ হিসেবে উঠাবেন। এছাড়া কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী ও সাক্ষী হব। হযরত
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বলেছেনঃ
১)
নিশ্চয় আমলের প্রতিদান নিয়তের উপর নির্ভরশীল। (বুখারী ১)
২)
তোমার দ্বীনকে (ঈমান) খাঁটি কর, অল্প আমলই তোমর নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে। (তারগীব)
৩)
ইলমে দ্বীন শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উপর ফরজ। (ইবনে মাজাহ ২২৪)
৪)
ইলমে দ্বীন শিক্ষার একটি মজলিস ষাট বৎসরের নফল ইবাদত হতে উওম। (মিশকাত)
৫)
তোমাদের মধ্যে সর্বোওম ঐ ব্যক্তি, যিনি কুরআন মজিদ শিক্ষা করেন এবং শিক্ষা দেন। (বুখারী
৪৬৫৭)
৬)
কোরআন শরীফ তিলাওয়াত সর্বোওম ইবাদত। (বুখারী)
৭)
তোমরা ফরজসমূহ এবং কোরআন মজীদ শিক্ষা কর এবং লোকদিগকে শিক্ষা দাও, কেননা আমি চিরকাল
থাকব না। (আবু দাউদ, তিরমিযী)
৮)
একজন ফকীহ যদি শয়তানের পক্ষে থাকে, এক হাজার আবেদ এর চেয়েও ভয়ঙ্কর। (তিরমিযী ২৬৮১)
৯)
পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ। (মুসলিম ৪৪১)
১০)
লজ্জা ঈমানের অঙ্গ। (মুসুলিম ৬০)
১১)
নামাজ বেহেশতের চাবি। ( মিশকাত )
১২)
কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব হবে। (তিরমিযী ৪১৩)
১৩)
দোয়া ইবাদতের মগজ । (মিশকাত ২১২৭)
১৪)
যে ব্যক্তি আল্লাহতা’য়ালার নিকট দোয়া করে না (কিছু চায় না) আল্লাহতা’য়ালা তাহার উপর
রাগান্বিত হন। (তিরমিযী)
১৫)
আল্লাহতা’য়ালা ঐ ব্যক্তির উপর রহম করেন না, যে মানুষের উপর রহম করে না। (বুখারী ৬৮৭২)
১৬)
খাঁটি মুসলমান ঐ ব্যক্তি যার হাত ও মুখ হতে অপর মুসলমান নিরাপদ থাকে। (বুখারী ৬০৪০)
১৭)
দুনিয়ার মুহাব্বাত সকল পাপের মূল। (রাজীন)
১৮)
যাহা শুনে তাই বলতে থাকা কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। (মুসলিম)
১৯)
হারাম ভক্ষণকারীর শরীর বেহেশতে প্রবেশ করবে না। (বায়হাকী)
২০)
চোগলখোর বেহেশতে প্রবেশ করবে না । (বুখারী ও মুসলিম)
২১)
আত্মীয়তা ছিন্নকারী বেহেশতে প্রবেশ করবে না। (বুখারী ও মুসলিম)
২২)
ঐ ব্যক্তি বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না, যার প্রতিবেশী তার অত্যচার হতে নিরাপদ নয়।
(মুসলিম ৮০)
২৩)
যে ঘরে কুকুর এবং জীবের ছবি থাকে, ঐ ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করবে না।
২৪)
দুনিয়াতে একজন মুসাফির/পথিকের মত থাক। (তিরমিযী ২৩৩৬)
২৫)
জুলুম কিয়ামতের দিন ভীষণ অন্ধকার হয়ে দেখা দিবে। (তিরমিযী ২০৩৬)
২৬)
মুসলমান মুসলমানের ভাই। (মিশকাত)
২৭)
যে ব্যক্তি দুনিয়ায় কোন মুসলমানের দোষ গোপন রাখবে, আল্লাহতা’য়ালা দুনিয়া ও আখেরাতে
তার দোষ গোপন রাখবে। (তিরমিযী ১৯৩৬)
২৮)
মঙ্গল কামনাই দ্বীন। (মুসলিম ১০৪)
২৯)
ক্ষতি করলে উপকার কর। (আবু দাউদ)
৩০)
যে ব্যক্তি কোন ভাল কাজের পথ দেখায়, সে ঐ ভাল কাজ করার মত সওয়াব পায়। (জামে সগীর)
৩১)
যে নম্রতা হতে বঞ্চিত, সে কল্যাণ হতে বঞ্চিত। (মিশকাত)
৩২)
আল্লাহতা’য়ালার নিকট ঐ আমল সবচেয়ে বেশী প্রিয়, যা সবসময় করা হয়, যদিও তা কম হয়। (মিশকাত)
৩৩)
তোমাদের মধ্যে আমার নিকট ঐ ব্যক্তি বেশি প্রিয় যে বেশি চরিত্রবান। (মিশকাত)
৩৪)
দুনিয়া মুসলমানের জন্য কায়েদখানা এবং কাফেরদের জন্য বেহেশত। (তিরমিযী ২৩২৭)
৩৫)
তোমাদের কেহ ততক্ষন পর্য্ন্ত প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্য্ন্ত নিজের ভাইয়ের
জন্য ঐ জিনিস পছন্দ না করবে, যা সে নিজে পছন্দ করে। (মুসলিম ৭৮)
৩৬)
পরস্পর দুশমন, হিংসা করিওনা, একে অন্যের দোষ তালাশ করিওনা, আল্লাহ্তায়ালা বান্দাহ সকলেই
ভাই ভাই হয়ে যাও। (বুখারী ৫৬৩৮)
৩৭)
গুনাহ হতে তওবাকারী, বেগুনাহ ব্যক্তির সমতুল্য। (মিশকাত ২২৫৪)
৩৮)
যে প্রতারনা করে সে আমার উম্মত নহে। (মুসলিম ১৯১)
৩৯)
যে চুপ থাকে সে নাজাত পায়। (তিরমিযী ২৫০৩)
৪০)
আমার পক্ষ হতে একটি বাণী হলেও পৌঁছে দাও। (বুখারী ৩২১৫)
0 মন্তব্যসমূহ